কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ ০৯:৪৯ PM
কন্টেন্ট: পাতা
অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও সুনির্দিষ্ট অভ্যন্তরীণ কাঠামোর উন্নয়ন, রক্ষনাবেক্ষণ, পরিচলন ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ১৯৫৮ সনে তৎকালীন প্রাদেশিক সরকারের জারীকৃত একটি অধ্যাদেশ অনুসারে 'ইস্ট পাকিস্তান ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (ইপিআইডব্লিউটিএ) প্রতিষ্ঠিত হয় যা ১৯৭১ সনে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর "বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ" (বিআইডব্লিউটিএ) নামকরণ করা হয়। একজন চেয়ারম্যান, একজন সদস্য (অর্থ), একজন সদস্য (প্রকৌশল) এবং একজন সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচলন) নিয়ে কর্তৃপক্ষ গঠিত। চেয়ারম্যান হচ্ছেন সংস্থার নির্বাহী প্রধান।
প্রধান কার্যাবলীঃ
* নৌ-পথে নাব্যতা সংরক্ষণ ও নদী শাসন এবং নৌ-পরিচালনের সুবিধার্থে অভ্যন্তরীণ নদী পথে মার্কা, বিকন বাতি সহ নৌ-পথ নির্দেশক সামগ্রী স্থাপন।
* নৌ-পথের হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ ও চার্ট প্রকাশনা, পাইপটেজ সুবিধা প্রদান এবং নদী বন্দরসমূহে আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য পরিবেশন।
* অভ্যন্তরীণ নৌ-পথের নাব্যতা সংরক্ষণের জন্য বার্ষিক ড্রেজিং কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং নতুন নৌপথ চালু করার উদ্দেশ্যে মৃত ও মৃতপ্রায় নদী, চ্যানেল ও খাল খনন।
* অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর ও লঞ্চঘাট ব্যবস্থাপনা সহ এর উন্নয়ন রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন এবং নদী বন্দর ও ঘাটসমূহে টার্মিনাল সুবিধানে প্রদান।
* অভ্যন্তরীণ নৌ-পথে সৃষ্ট বাধা-বিঘ্ন অপসারণ ও নিমজ্জিত/ দুর্ঘটনা কবলিত নৌ-যান উদ্ধারসহ নৌ-পথে যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের জরিপ ও ভাড়া নিবারণ।
* অভ্যন্তরীণ নৌ-পথে চলাচলকারী নৌ-যানের ডেক ও ইঞ্জিন কর্মীর দক্ষতার উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান।
* অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী নৌ-যানের সময়সূচী/রুট পারমিট অনুমোদন, যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের জরিপ করণ এবং ভাড়া নির্ধারণ।
* সরকারের স্বল্প, মধ্য, দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা অনুসরণে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন এবং অন্যান্য পরিবহন মাধ্যম ও সমুদ্র বন্দরের সঙ্গে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা।